অপরাধ

খালিয়াজুরীতে সাত জুয়ারি আটক
নেত্রকোনা জেলার খালিয়াজুড়ি উপজেলা চাকুয়া ইউনিয়নের বল্লী গ্রামের বাগান বাড়ীর জুয়ার আসর থেকে ১৩/৩/২৬ ইং তারিখ রোজ শুক্রবার ভোররাতে সাতজন জুয়ারিকে আটক করেছে থানা পুলিশ। জানা যায়, খালিয়াজুড়ি উপজেলার চাকুয়া ইউনিয়নের বল্লী গ্রামের বাগান বাড়ীরতে দীর্ঘদিন ধরে উক্ত জুয়া খেলার আসর চলছে । গোপন সূত্রের ভিত্তিতে ঐ দিন রাত আনুমানিক ১’০০ টার দিকে বল্লী গ্রামের বাগান বাড়িতে এস আই মন্জুর রহমান ও তার পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা গিয়ে বজলু মির্জার ছেলে জহুরুল ইসলাম মির্জার নিজের বসত বাড়ীতে পাকা ঘরের চারপাশে ঘেরাও করে, বল্লী কদমতলা গ্রামের আব্দুল হেকিম এর ছেলে লেলিন মিয়া (৪০), তালে নেওয়াজের ছেলে মোঃ ওয়াছেক মিয়া (৩২), বল্লী বড় পাড়ার কাতারু রহমানের ছেলে আবু সাঈদ (৪৫), বল্লী বাগান বাড়ীর আব্দুল কুদ্দুস তাং এর ছেলে মোহ জোসেফ তাং হোসেন তাং এর ছেলে মোঃ রাহুল তাং (৩৭) বজলু মির্জার ছেলে মোঃ জহুরুল ইসলাম মির্জা (৪৫) , বল্লী নতুন বাড়ীর শহীদ মিয়ার ছেলে মোঃ মোফাজ্জল মিয়ার উক্ত সাতজনকে ব্যক্তি আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এস আই মন্জুর রহমান বলেন এ সময় তাদেরকে আমরা জুয়ার আসর থেকে আটক করেছি। তাদের কাছে থেকে একটি মাদুর, একটি চাদর, পাঁচ প্যাকেট খেলার তাস ও নগদ ৫৩৪০/- পাঁচ হাজার তিনশত চল্লিশ টাকা উদ্ধার করা হয়। খালিয়াজুড়ি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাসির উদ্দীন বলেন,জুয়ারি আইনের আওতায় ৩/৪ দ্বারা তাদের নামে ১৩/৩/২৬ ইং তারিখে মামলা হয়েছে। মামলা নং নন এফ আই আর ৫, জিডি নং ৪২২, বিধি মোতাবেক যথাযথ পুলিশ পাহারা দিয়ে তাদেরকে নেত্রকোনা সদর কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদক ও জুয়ার বিষয় নিয়ে কোন আপুষ নাই। এ অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ।
১৪ মার্চ, ২০২৬,শনিবার

শিক্ষকের শাসনে আহত শিশু শিক্ষার্থী হাসপাতালে ভর্তি, থানায় অভিযোগ।
নেত্রকোনা জেলার খালিয়াজুড়ি উপজেলার চাকুয়া ইউনিয়নের রাজিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক কাউসার আহমেদ ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী মুগ্ধ তাং (১১) কে ১১ মে দুষ্টামির জন্য শাসন করিলে আহত মুগ্ধ কে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। জানা যায়, সহকারী শিক্ষক কাউসার আহমেদ ২০২৪ ইং সনে রাজিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে যোগদান করেন। তিনি নিয়মিত ভাবে শিক্ষক হিসাবে কর্মরত আছেন। বিগত ১১ মে রোজ সোমবার বেলা আনুমানিক ১২'৩০ মিনিটের সময় মুগ্ধ তাং তার বন্ধুদের সাথে খেলার চলে দুষ্টামি করছিল। তখন ঐ শিক্ষক তাকে দুষ্টামির মধ্যে থেকে শাসন করিতে গিয়ে হাতে থাকা ছোট পানির বোতল দিয়ে মাথায় বাড়ি দিলে সে কিছু আহত হয়। পরে সে কিছুক্ষণ সময় পরীক্ষা দিয়ে প্রধান শিক্ষক মোঃ গোলাম মৌলার হাতে খাতা জমা দিয়ে বাড়ি চলে যায় বলে প্রধান শিক্ষক জানান। তিনি আরো জানান ১২ মে রোজ মঙ্গলবার চিকিৎসা করার জন্য মোহনগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে, উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করে। মুগ্ধ তাং এর মামা মোঃ মারুফ খান বাদী হয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক কাউসার আহমেদ কে আসামী করে ১২ মে রোজ মঙ্গলবার খালিয়াজুড়ি থানায় শিশু নির্যাতন আইনে অভিযোগ দায়ের করেছে। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ নাসির উদ্দীন বলেন অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
১২ মে, ২০২৬,মঙ্গলবার

খালিয়াজুরীতে গৃহবধূকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে থানায় মামলা
খালিয়াজুরী উপজেলার পাঁচহাট গ্রামে গৃহবধূকে কৌশলে ঘরে আটকে রেখে শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মাসুক মিয়ার (৪৫) বিরুদ্ধে খালিয়াজুরী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসুক মিয়া খালিয়াজুরী উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের পাঁচহাট গ্রামের সরকার মিয়ার ছেলে এবং স্থানীয় বাজারের একজন কলা ব্যবসায়ী। শুক্রবার (১৫ মে) সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেন খালিয়াজুরী থানার ওসি মো. নাসির উদ্দীন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারী (২০) ও তার স্বামী ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। বর্তমানে বোরো ফসলের মৌসুম চলায় তারা নিজ গ্রাম পাঁচহাটে আসেন এবং বাজারের পাশের একটি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরে সাময়িকভাবে বসবাস শুরু করেন। গতকাল (বৃহস্পতিবার) সকাল আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে স্বামী নয়ন মিয়া হাওরে কাজ করতে যান। এ সুযোগে স্থানীয় দুই নারী স্বপ্না ও সাবিহা গৃহবধূকে কৌশলে আশ্রয়ণ প্রকল্পের একটি ফাঁকা ঘরে নিয়ে যান। সেখানে আগে থেকেই অবস্থান করছিলেন অভিযুক্ত মাসুক মিয়া। ভুক্তভোগী ঘরে ঢোকা মাত্রই স্বপ্না ও সাবিহা বাইরে থেকে দরজা আটকে দেন। অভিযোগে জানা যায়, ঘরে একা পেয়ে মাসুক মিয়া ভুক্তভোগীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। বাধা দিলে তাকে মারধর করা হয় এবং ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে তার পরিহিত পোশাক ছিঁড়ে ফেলা হয়। এসময় নারীর আর্তচিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করেন। লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত আসুক মিয়া কৌশলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। এ বিষয়ে খালিয়াজুরী থানার ওসি) জানান, ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে ওই দিনই থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে। তিনি বলেন, 'শ্লীলতাহানির অভিযোগ পাওয়ার পরপরই আমরা মামলা গ্রহণ করেছি। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধী যেই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।'
১৬ মে, ২০২৬,শনিবার
